২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসেছিলেন বহুল আলোচিত আঙ্গোরপোতা-দহগ্রামে। তিনি এই দিনে ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলাধীন দহগ্রাম ইউনিয়নের একমাত্র চলাচলের পথ তিনবিঘা করিডোর গেট ২৪ ঘণ্টা চালুকরণ ও পরিদর্শন শেষে পাটগ্রাম সরকারি জসমুদ্দিন কাজী আব্দুল গণি ডিগ্রি কলেজ মাঠে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বুড়িমারী-ঢাকা রুটে আন্তঃনগর ট্রেন চালু ও দহগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, 'এ অঞ্চলের মানুষ যাতে সহজেই রাজধানী ঢাকায় যাতায়াত করতে পারেন সেজন্য বুড়িমারী-ঢাকা রুটে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা হবে। ট্রেনটির নাম দেওয়া হবে "তিনিবিঘা কড়িডোর এক্সপ্রেস"।
এরমধ্যে দহগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হলেও গত ১২ বছরেও বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে ঢাকা সরাসরি তিনিবিঘা করিডোর এক্সপ্রেস ট্রেন চালু করা হয়নি।
মানোনিয় প্রধানমন্ত্রীর এখনও সেই প্রতিশ্রুতি এ অঞ্চলের মানুষের মনে আশা জাগায় এবং সপ্নদেখে। "তিনবিঘা কড়িডোর এক্সপ্রেস" এই নামটি মানোনিয় প্রধানমন্ত্রী তিনি নিজেই নির্ধারন করেন, এবং এ অঞ্চলের মানুষ মানোনিয় প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত নামটি সাধরে গ্রহণ করেন সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে 'তিনবিঘা করিডোর এক্সপ্রেস' ট্রেনের নাম
বর্তমান একাদশ জাতীয় সংসদের রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন ২০১৯ সালের ২২ মার্চ লালমনিরহাট-বুড়িমারী স্থলবন্দর জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত রেলওয়ে লাইন পরিদর্শন শেষে ওই বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই তিনবিঘা করিডোর এক্সপ্রেস চালুর ঘোষণা দেন।
পরে আবারো ২০২১ সালের ১২ নভেম্বর লালমনিরহাট রেলওয়ে স্টেশনে এসেছিলেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। স্টেশনটি পরিদর্শন শেষে তিনি বলেছিলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি শিগ্রহি বাস্তবায়ন করা হবে।
একই ভাবে সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগীয় সদরদপ্তরে এসেছিলেন ২০১৮ সালের ১১ জুন। লালমনিরহাট রেল স্টেশনের নতুন ভবন উদ্বোধন করেন তিনি। সেসময় বলেছিলেন, 'আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা "তিনবিঘা করিডোর এক্সপ্রেস" চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।'
কিন্তু এখনও সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় লালমনিরহাট জেলাবাসী হতাশ হয়ে পড়েন।