ঢাকা, বাংলাদেশ ।     সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন,  ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
লালমনিরহাট - ১ (পাটগ্রাম-হাতিবান্ধা) আসনে উন্নয়ন ও জনপ্রিয়তায় মোতাহার হোসেন এমপির কাছে ম্লান হবে আওয়ামীলীগের অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা!

মেতাহার হোসেন এমপি লালমনিরহাট - ১ (পাটগ্রাম-হাতিবান্ধা) আসনে টানা ৭ম বার দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের টিকিট পাচ্ছেন—এটা প্রায় নিশ্চিত! ১৯৯১ সালের ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে টানা ছয় বার নৌকা মার্কার টিকিট পেয়েছেন মোতাহার হোসেন এমপি। ২০০১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা ৪ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন । ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ৭৩ হাজার ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে প্রায় ৩৪ হাজার ভোটে পরাজিত করেন, এরপর ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লক্ষ ৪২ হাজার ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে প্রায় ৭০ হাজার ভোটে পরাজিত করে ২য় বারের মতো এমপি নির্বাচিত হন, তৃতীয় বার ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ ৮৯ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, এবং চতুর্থ বারে ২০১৮ সালের একাদশ জাতিয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হন তিনি। লালমনিহাট ৩টি আসনের মধ্যে এ আসনেই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সাংগঠনিক কাঠামো অনেক শক্তিশালী বলে মনে করেন একাংশ আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী। এই আসনে অনেকে হেবিওয়েট নেতা ও সরকারী অবসর প্রাপ্ত ব্যাক্তি আওয়ামীলীগের প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলেও এই আসনের উন্নয়ন ও জনপ্রিয়তায় অন্য সবাই তাঁর কাছে ম্লান হবে বলে আশা করেন এই আসনের দলীও নেতাকর্মীরা, নেতাকর্মী মনে করে এই আসনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভরসাস্থল মেতাহার হোসেন এমপি। মোতাহার হোসেন এমপি গত ২০০১ থেকে গত ২৩ বছর ধরে তাঁর আসনে জনসংযোগের পাশাপাশি ওয়ার্ড পর্যায়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে সক্রিয় রেখেছেন। অটুট রেখেছেন দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে। এ আসনের দুই উপজেলাতেই বড়ধরনের কোন আওয়ামী লীগের কোনো কোন্দল-বিবাদ নেই। মোতাহার হোসেন এমপি এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪২০১৮ সালে, এবং সংসদ সদস্য হন ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে, তিনি অষ্টম সংসদে বিরোধীদলীয় হুইপ হিসাবে নিয়োগ পান এবং ২০০৫ সাল থেকে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসাবে আছেন এবং নবম সংসদে নির্বাচিত হলে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করলে প্রথমে তিনি সরকারদলীয় হুইপ হিসাবে নিয়োগ পান এবং পরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দায়িত্ব পান। প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন কালে এই আসনে অনেক উন্নয়নের ছোঁওয়া দেন তিনি, এবং অনেক স্কুল,কলেজ সরকারিকরন করেন। সারা দেশে প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী নিয়োগ করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তিনি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে তিনি দায়িত্ব পান প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি হিসেবে, এবং সেই সাথে দায়িত্ব পান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং রংপুর রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবে। এবং তিনি সেই সাথে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সদস্য ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে এবং মুক্তিযোদ্ধা সংজ্ঞা নির্ধারক কমিটির সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন। এই আসন থেকে বর্তমান জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মকবুল হোসেন এবারো তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী এই দ্বাদশ সংসদে নির্বাচন সহ তিনি ১২তম বার আওয়ামীলীগের মনোনয়ন চেয়েছেন, এবার তিনি খুবই আশাবাদি এই আসন থেকে তিনিই মনোনয়ন পাবেন। পাটগ্রাম উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব রুহুল আমিন বাবুল তিনিও মনোনয়ন প্রত্যাশী, তিনিও গত দুইবার মনোনয়ন চেয়েছেন এই আসন থেকে, এই আানের জনসাধারণ মনেকরেন তিনিও মনোনয়ন পাওয়া যোগ্য। -আতাউর রহমান প্রধান ( সোনালী ব্যাংকের সাবেক এমডি) তিনিও লালমনিহাট-১ আসন (পাটগ্রাম-হাতিবান্ধা) আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রচার, জনসংযোগ, নির্বাচনী প্রচার এবং প্রস্তুতি চালিয়ে যাইতেছেন, এই আসনের সুশীল সমাজ এবং জনসাধারণ তার সাথে আছেন বলে মনেকরেন তিনি।

Copyright © janatarkolom.com All Right Reserved.


Developed By Monoputo