ঢাকা, বাংলাদেশ ।     সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন,  ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ভালোবাসা মেনে নেয়নি পরিবার, পালিয়ে বিয়ে করেছেন "মোছলেমা আক্তার ও রুহুল আমিন।

ভালোবাসা মেনে নেয়নি পরিবার, পালিয়ে বিয়ে করেছেন "মোছলেমা আক্তার ও রুহুল আমিন। মোছলেমা আক্তার ও রুহুল আমিনের পারিবারিক সম্পর্ক চাচাতো ভাই-বোন ও একই ক্লাসমেট, তাদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একসমায়ে গড়ায় প্রেমে সম্পর্ক। কিন্তু তাদের ভালোবাসা বাড়ি থেকে মানতে চায়নি কেউই। পরে পালিয়ে বিয়ে করেন তারা। ঘটনাটি লালামনিরহাট জেলার, হাতিবান্ধা থানার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের দালালপাড়া গ্রামে। মোছলেমা আক্তার ও রুহুল আমিন দুজনেই প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মে, পেশায় তারা ছাত্র। মোছলেমা আক্তার ফকিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ মফিজুল ইসলামের মে এবং রুহুল আমিন একই গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলামের ছেলে। ভালবাসার টানে গত ২৪শে অক্টোবর-২০২৪ তারিখে মোছলেমা আক্তার তার ভাবির সাথে রংপুরে চিকিৎসার কথা বলে বাড়ি থেকে রংপুরে যায়, এবং মোছলেমা আক্তার রংপুরে যাবার পরে গত ২৫শে অক্টোবর রুহুল আমিনকে রংপুরে যাইতে বলে, এবং দুইজনে পরামর্শ করে রংপুর থেকে পালিয়ে নওগাঁ যায়, গত ২৭শে অক্টোবর নওগাঁয় তারা এফিডেভিট বা কোর্ট ম্যারেজ করে এবং ইসলামের ধর্মের বিধান নেমে উপস্থিত মৌলভীর মাধ্যমে ১০১০০০/- ( এক লক্ষ এক হাজার) টাকা মোহরানা ধার্য্য করে নগদ ১০০০/- (এক হাজার) টাকা বুঝে দিয়ে তারা বিয়ে করেন। পরবর্তীতে মেয়ের পরিবার মেয়ের সাথে যোগাযোগ করলে ছেলে-মেয়েকে দুজনকে পারিবারিক ভাবে মেনেনিবে বলে আশ্বাস দিয়ে ছেলে-মেয়ে সাথে দেখা করে নওগাঁয় গিয়ে, দেখা করার পরে ছলে থেকে মেয়েকে আলাদা করে নেয় মেয়ের বাবা, মেয়ে কে বাড়িতে নিয়ে আসে, এবং ঔদিনে মেয়ের বাবা মোঃ মফিজ ছেলেকে মারধর করে জোরপূর্বক ছেলে দিয়ে ঘটানার আপোষ নামায় সাক্ষর করে নেয়। ছেলে মোঃ রুহুল আমিন ঘটনার ঔদিনে ঢাকার উদ্দেশ্য চলে আশে, এবং ঢাকার কলাবাগান এক হোটেলে চাকুরী নেয়,এবং সেখানে রুহুল আমিন গত ১ মাস থেকে চাকুরী করে আসতেছিল, মেয়ের বাবা মেয়ে কে অন্য ছেলের সাথে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার জন্য গত ৭ ডিসেম্বর দিন তারিখ ঠিক করে। মোয়ে মোছলেমা আক্তারের বিয়েতে রাজি না থাকায়, ছেলে রুহুল আমিনে সাথে আবার যোগাযোগ রাখা চেস্টা রাখে। সেই চেস্টায় মেয়ে মোছলেমা আক্তার নিজেই ছেলে রুহুল আমিন সাথে যোগাযোগ করে গত ২৬শে নভেম্বর রাত ১২ টার দিকে ছেলের সাথে যোগাযোগ করে ছেলের উদ্দেশ্য বাড়ি থেকে বের হয়, এবং ছেলের মেবাইলে কল দিয়ে জানিয়ে দেয় আমি তোমার কাছে আসবো, কিভাবে আসবে সেটা জানায় দেয় ছেলে! পরবর্তীতে গত ৫ই নভেম্বর তারিখে মেয়ে নিজেই রুহুল আমিন কে নিয়ে শুখে শান্তিতে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করতে চায় ও রুহুল আমিন এবং তার পরিবার কে যেনো কোন প্রকার হয়রানি করা না হয় এই মর্মে একটা লিগ্যাল নোটিশ পাঠায় মেয়ে তার বাবাকে। মেয়ের বাবা অত্র ইউনিয়নের ইউপি সদস্য এবং এলেকার প্রভাবশালী হওয়া ছেলের পরিবার কে নানা ভাবে হ্যানস্থ্য করা শুরু করে এবং ছেলের বাড়িতে এসে হামলা করে, ছেলের চাচা মোঃ সিরাজুল ইসলাম হাতিবান্ধা উপজেলার হিসাব কর্মকর্তা, মেয়েকে খুজে না পেলে সিরাজুল ইসলামকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় লোকজন কে নিয়ে তার অফিসে গিয়ে হুমকি দেয়, মেয়ের বাবা ছেলের মা ও চাচাদের কে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে বলে তার গত ২৭শে নভেম্বর থেকে বাড়ি ছারা হয়ে লুকিয়ে আছে। এবং ছেলে -মেয়ের বাড়ি দূরত্ব ৫০-৬০ গজ ও একই উঠানে, পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় মেয়ের বাবার বাড়ির উঠানের রোড ব্যাবহার করে ছেলের পরিবারের বাড়িতে যাওয়া লাগে, তাই রাস্তা ব্যাবহার করতে ছেলের পরিবারকে বাধা দেয় মেয়ের বাবা মোঃ মফিজ। এই ঘটনার সাক্ষী হিসেবে ওই এলাকায় অসংখ্য লোক সাক্ষ দেয়, উক্ত বিয়ের ঘটনাকে ঘিরে এলেকায় আলোচনা- সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে সম্পর্কের বিষয়ে মোছলেমা আক্তার ও রুহুল আমিন জানান তারা দীর্ঘদিন ধরেই মোবাইল ফোনে কথা বলতেন এবং পরিবার কে না জানিয়ে বিভিন্ন জায়গায় তারা ঘুড়তে যাইতেন, এভাবে তাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রেমে গিয়ে গড়ায়। তারা আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তারা একে অপরের ভালোবাসার সম্পর্কে আবদ্ধ রয়েছেন। পরিবারের লোকজন সমর্থন না করায় বিয়ের এ সিদ্ধান্ত নেন। মেয়ে মোছলেমা আক্তাের সিখার উক্তি ও নিজ ইচ্ছায় বিয়ে করেছেন বলে তার একটা ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিও ক্লিপ "জনতার কলমের"হাতে আসে।

Copyright © janatarkolom.com All Right Reserved.


Developed By Monoputo