ভুক্তভোগী হাতিবান্ধা উপজেলার, ফকিরপাড়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোঃ মফিজুল ইসলামের মেয়ে মোছাঃ মোছলেমা আক্তার, ভালোবেসে বিয়ে করেছেন রুহুল আমিনকে। কিন্তুু হাতিবান্ধা উপজেলার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলামের নাম জরিয়ে মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুমের অভিযোগ করে মামলা ও বিভিন্ন হয়রানি করার অভিযোগ মেয়ের বাবা ও হাতিবান্ধা থানার ওসি মাহমুদুন-নবী বিরুদ্ধে।
সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভুক্তভোগী মোছলেমা আক্তার একটি ভিডিও বার্তায় বলেন আমাকে কেউ গুম কিংবা অপহরণ করে নাই, আমি নিজ ইচ্ছাকৃত ভাবে বাড়ি থেকে বের হয়ে স্বামী রুহুল আমিনের কাছে চলে যাই। আমি যেখানে আছি আমার স্বামীর সাথে আল্লাহরহমতে ভালো আছি। ভুক্তভোগী আরো অভিযোগ করেন আমি আমার অবস্থান হাতিবান্ধা থানার ওসি মাহমুদুন-নবীর কাছে চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছি এবং একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছি আমার বাবার বারাবর, তারপরেও আমার শশুর বাড়ির লোকজনকে মামলা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাই আমি দ্বিতীয় বার হাতিবান্ধা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করি আমার বাবার বিরুদ্ধে। কিন্তুু হাতিবান্ধা থানার ওসি স্যার আমাকে কোন প্রকার সহযোগিতা করে নাই।
মোছলেমা আক্তার আরো বলেন আমি জানতে পারি সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমে আমার চাচাশশুর মোঃ সিরাজুল ইসলাম, হাতিবান্ধা উপজেলার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আমাকে অপহরণের করেছে বলে খবর প্রচার করা হয়েছে যা ডাহা মিথ্যা, আমি সেচ্ছায় আমার স্বামী রুহুল আমিনের কাছে চলে যাই,কেউ আমাকে অপহরণ করে নাই, আমার পালিয়ে যাওয়া বুদ্ধি পরামর্শ আমার শশুর বাড়ির লোকজন কিংবা আত্মীয়স্বজন, আমার পাড়াপ্রতিবেশির কেউ আমাকে দেয় নাই। আমি ভালোবেসে নিজ ইচ্ছায় রুহুল আমিন কে বিয়ে করেছি। আমার সময় হলে আমি নিজ ইচ্ছায় চলে আসবো বাড়িতে, অন্যথায় আমার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক পুলিশ কে দিয়ে হয়রানি অথবা অপহরণের অপপ্রচার করলে আইনের আশ্রয় নিবো, এবং আমার স্বামী রুহুল আমিনের সাথে সংসার নষ্ট করার চেস্টা করলে আমি হিউম্যান রাইটস এর মাধ্যমে আমার অধিকার আদায় করবো।
হাতিবান্ধা উপজেলার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অপহরণের অভিযোগ প্রচার হলে, "জনতার কলম" এর পক্ষ থেকে খবরের সত্যতা যাচাই করার জন্য হাতিবান্ধা উপজেলার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আমার ঘঠনার সাথে নূন্যতম সম্পর্ক নাই এবং তিনি আরো জানান বিভিন্ন গণমাধ্যম আমার বিরুদ্ধে প্রচারিত খবরের প্রতিবাদ জানিয়েছি,এবং তিনি আরো বলেন সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য হাতিবান্ধা থানার ওসি মাহমুদুন-নবী ও মেয়ের বাবা মোঃ মফিজুল ইসলাম সহ যোগসাজশে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে, এবং অপহরনের নাটক সাজিয়ে আমাকে বিভিন্ন মাধ্যমে গ্রেপ্তার করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সিরাজুল ইসলাম জানান গত ১ মাস যাবৎ থানার ওসি উক্ত ঘঠনার কোন তদন্ত করে নাই,থানার ওসির মূল উদ্দেশ্য আমাকে গ্রেপ্তার করা।
হাতিবান্ধা থানার ওসি মাহমুদুন-নবীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন আমার কাছে মেয়ের বাবা মোঃ মফিজুল ইসলাম এসে অপহরণের অভিযোগ করেছে, কিন্তু মেয়ের কোন জবানবন্দি বা চিঠি আমি পাই নাই, মেয়েকে খুজার জন্য আমার পুলিশ ফোর্স কাজ করছে।
হাতিবান্ধা উপজেলার হিসাবরক্ষণ অফিসার মোঃ সিরাজুল ইসলাম কে হয়রানি করা হচ্ছে কি না এমন প্রশ্নে উত্তরে মাহমুদুন-নবী বলেন অপহরণের ঘটনার সিরাজুল ইসলাম সহযোগী ছিলেন এটা মেয়ের বাবার অভিযোগ! সিরাজুল ইসলাম ঘঠনার সাথে জরিত আছে কি না এটা তদন্তের বিষয়, তদন্ত চলছে, তদন্তে পরে বলা যাবে, তিনি আরো বলেন যে কেওই-যে কেউর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে পারে থানায়।
স্থানীয় একাধিক সুত্রে জানা যায় মেয়ের বাবা ইউপি সদস্য মোঃ মফিজুল ইসলাম বিগত সৈরাচারের সরকারের দোষর, ফকিরপাড়া ইউনিয়নের একজন প্রভাবশালী ইউপি সদস্য,৫ আগষ্টের আগ পর্যন্ত স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে লিয়াজু করে জামাত-বিএনপির সাপোর্টারদেকে দমনপিড়ন, অত্যাচার ও ভয়ভীতি প্রদর্শন দেখিয়ে ইউপি সদস্যের দায়িত্ব পালন করে আসছে মোঃ মফিজুল ইসলাম। সরকারি সুবিধা ভুগিদের কার্ড,রেশন,ডিপ টিউবওয়েল,গরীব দুঃখী মানুষের ঘড় নির্মাণের বিনিময়ে ঘুষ নিয়ে কাজ করে থাকেন, এবং সরকারি বাজেটের খাল-খনন ভরাটের বরাদ্দ নিয়ে নিজবাড়ির পুকুর খনন এবং বাদ দেওয়া অভিযোগ আছে। নিরীহ মানুষকে হয়রানি ও নারী কেলেঙ্কারির মতো নানা অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।