চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে সাকিবকে কি শুধু ব্যাটিংয়ের জন্যই রাখা যেত না? এমন প্রশ্নের সংবাদ সম্মেলনে উত্তর দিলেন প্রধান নির্বাচক।
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দল আজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। ১৫ সদস্যের সে দলে জায়গা হয়নি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের। গতকালই তাঁর দ্বিতীয় বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষায় ব্যর্থতার খবর আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বিসিবি, এরপর থেকেই সাকিবের দলে জায়গা না পাওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়েছে। কিন্তু বোলিংয়ে নিষিদ্ধ হলেও শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে তো খেলে যেতে পারবেন সাকিব, সে ক্ষেত্রে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে তাঁকে শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবেই কি খেলানো যেত? এই প্রশ্নটা আজ উঠেছে বিসিবির প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর সংবাদ সম্মেলনে। প্রধান নির্বাচক জানিয়ে দিয়েছেন, শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে দলের সমন্বয়ের মধ্যে জায়গা হয় না সাকিবের। সাকিবকে দলে না রাখার ব্যাখ্যায় গাজী আশরাফ হোসেন প্রথমে প্রত্যাশিতভাবেই তুলে এনেছেন তাঁর বোলিংয়ে নিষেধাজ্ঞার কথা, ‘সবাই অবহিত আছেন যে, বৈধ বোলিং অ্যাকশন নিয়ে যে সমস্যাটায় তিনি (সাকিব) আছেন, সেটা থেকে উত্তরণের জন্য তিনি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। কিন্তু পরীক্ষার ফলটা দুর্ভাগ্যবশত নেগেটিভ হওয়ার কারণে এখন তিনি ক্রিকেট শুধু একজন ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলতে পারবেন।
তাই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আমাদের কাছে সাকিব আল হাসানের অবস্থানটা ছিল একজন ব্যাটসম্যান হিসেবেই।’ কিন্তু শুধু ব্যাটসম্যান সাকিবকে দলে জায়গা দিতে না পারার কথা জানিয়ে এরপর প্রধান নির্বাচক বলেছেন, ‘আমাদের এই দলে টিম কম্বিনেশনটা সাজাতে গিয়ে, শুধু ব্যাটসম্যান হিসেবে তাঁকে আমরা এই ১৫ জনে রাখতে পারিনি।’ দল ঘোষণার আগে আরেক ক্রিকেটার তামিম ইকবালের সঙ্গে আলাপের কথা বিসিবির কর্তারাই অনেকবার জানিয়েছেন। তবে অনেক নাটক আর সময়ক্ষেপণের পর গত পরশু অবসরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন তামিম। তা তামিমের মতো করে সাকিবের সঙ্গেও কি কথা হয়েছিল দলের নির্বাচকদের? এ নিয়ে প্রশ্নে গাজী আশরাফ বলেছেন, ‘সাকিবের ব্যাপারটা ভিন্ন। সাকিব (বোলিং) অ্যাকশন নিয়ে একটু ঝামেলায় ছিলেন। তাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের থেকে এ ব্যাপারটা আমরা সমীচিন মনে করেছি যে, বোর্ড যাদেরকে মনে করে এই আলাপগুলো করা দরকার, সেটা ক্রিকেট অপারেশন্সই করে থাকে। সেখান থেকেই আমরা একটা ফিডব্যাক পেয়ে থাকি। সেই প্রক্রিয়াটাই অনুসরণ করা হয়েছে। আমার মনে হয় ক্রিকেট অপারেশন্স তাঁর সঙ্গে যোগাযোগে ছিলেন। যেহেতু ফিডব্যাক গুলো আমরা ক্রিকেট অপারেশন্স থেকেই পাচ্ছি।’